Skip to content

KhiproTeam/khipro-documentation

Folders and files

NameName
Last commit message
Last commit date

Latest commit

 

History

20 Commits
 
 

Repository files navigation

title description url
ক্ষিপ্র কিবোর্ড কনসেপ্ট ও ব্যবহার-নির্দেশিকা
ক্ষিপ্র কিবোর্ডের সম্পূর্ণ ব্যবহার নির্দেশিকা এবং কনসেপ্ট। দ্রুততম বাংলা টাইপিংয়ের জন্য ক্ষিপ্র কিবোর্ড লেআউট শিখুন।
/documentation/

ক্ষিপ্র ৩২তম সংস্করণ: ২৮শে অক্টোবর, ২০২৫

Click here to view the Guidelines for Developers

লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, ও পরিকল্পনা

  1. সর্বোচ্চ সম্ভাব্য দ্রুত গতিতে বাংলা লেখা। এবং সেটা অর্জন করতে যা যা করা হবে:
    1. শিফট key এর ব্যবহার পরিহার করা হবে
    2. প্রয়োজনীয় সকল key qwerty লেআউটের মধ্যেই রাখা হবে, এবং নিকটবর্তী সিম্বল ব্যবহার করা হবে যেমন: সেমিকোলন (;), স্ল্যাশ (/) ইত্যাদি ব্যবহার করা হবে যেগুলো মূল qwerty লেআউটে বর্ণগুলোর সাথেই অবস্থিত।
    3. টাচস্ক্রিনে অ্যাডাপটেশনের জন্য সাজেশন: নিচে উল্লেখ করা হয়েছে
  2. সব ধরনের প্রয়োজনীয় এবং কম প্রয়োজনীয় বর্ণ, যুক্তবর্ণ, ও গ্লিফ qwerty মূল লেআউট থেকে হাত না সরিয়েই লেখা যাবে। সেটা অর্জন করতে যা করা হবে:
    1. কি-সিকোয়েন্স বা কম্বিনেশন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয়, কম প্রয়োজনীয় সকল কিছু লেখার ব্যবস্থা থাকবে। যেমন:
      ক = k, খ = kh,
      ত = t, থ = th, ট = tf,
      দাঁড়ি = “.”, বিন্দু বা ডট = “..”,
      ় (নুকতা) = “,,” (দুটি কমা), কিন্তু পরপর দুটি কমা দিতে “,,,” (তিনটি কমা)।
      বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া আছে।

প্রচলিত ফিক্সড-ফোনেটিক পদ্ধতির সাথে ক্ষিপ্রর পার্থক্য

  1. বারবার শিফট চাপা থেকে মুক্তি।
  2. সব ধরনের প্রয়োজনীয়, কম প্রয়োজনীয় চিহ্ন হাতের কাছে।
  3. অ্যা ধ্বনিকে স্বর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ae দিয়ে অ্যা লেখা যাবে এবং যেকোনো ব্যঞ্জনের পরে কারচিহ্ন হিসেবে যুক্ত করা যাবে। যেমন:
    র‍্যা = rae
  4. ট-বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণগুলো টাইপ করার ক্ষেত্রে প্রচলিত ফিক্সড-ফোনেটিক এর সঙ্গে ক্ষিপ্রর পার্থক্য রয়েছে।
    ত-বর্গের ক্ষেত্রে:
    t = ত, th = থ, d = দ, dh = ধ;
    কিন্তু ট-বর্গের ক্ষেত্রে:
    tf = ট, tff = ঠ, df = ড, dff = ঢ
  5. ঙ এবং ং এর ব্যবহার হবে কনটেক্সট ভিত্তিক:
    bangla = বাংলা, bangali = বাঙালি,
    ongk = অঙ্ক, ongg = অঙ্গ, ong;k = অংক
  6. সাজেশনের প্রতি কোনো নির্ভরশীলতা নেই, কোনো সাজেশন ছাড়াই দ্রুত লেখা যাবে। তবে চাইলে সাজেশন ব্যবহার করা যেতে পারে। (টাইপিং বুস্টারের কথা বারংবার উল্লেখ করার কারণ হলো এতে পরবর্তী একাধিক শব্দ সাজেশন হিসেবে আসতে পারে, তাই সাজেশন লেখার গতি না কমিয়ে উল্টো বাড়িয়ে দেয়।)
  7. যেখানেই সম্ভব হয়েছে নতুন-নতুন এবং সুবিধাজনক শর্টকাট তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। যেমন:
    ক্ষ = kkh অথবা kf,
    ট্ট = tftf এর পাশাপাশি ttf
  8. অভিনব কিছু ম্যাপিং আছে, যেমন: অ্যা কে স্বরধ্বনির মতো ব্যবহার করা যাবে:
    “ae” = অ্যা, “hae” = হ্যা

ম্যাপিংয়ের সংক্ষিপ্ত সারণি

স্বরবর্ণ {#স্বরবর্ণ}

স্বরবর্ণ ম্যাপিং
o
a
i
ii
u
uu
q
e
oi
w
ou
অ্যা ae

ব্যঞ্জনবর্ণ {#ব্যঞ্জনবর্ণ}

ব্যঞ্জনবর্ণ ম্যাপিং
k
kh
g
gh
ng (যুক্ত), ngf (স্বাধীন)
c
ch
j
jh
n (যুক্ত), nff (স্বাধীন)
tf
tff
df
dff
nf
t
th
d
dh
n
p
ph
b
v
m
z
r
l
sh
sf
s
h
rf
rff
y
ক্ষ kf, kkh, ksf
t/
oo, ng (বিস্তারিত নিচে)
x
/

ক্ষিপ্র কনসেপ্টের কম্প্রিহেনসিভ বর্ণনা

Note

TLDR, ক্ষিপ্র কনসেপ্ট সম্পর্কে আপনার আগে থেকেই ভালো ধারণা থাকলে আপনি সরাসরি ম্যাপিং সেকশনে চলে যেতে পারেন।

পৃথায়ক ও মডিফায়ার

পৃথায়ক

পৃথায়ক ব্যবহার করে একটা ম্যাপিংয়ের শেষ প্রান্ত নির্দেশ করা যায়। পৃথায়কের পরে যা-ই লেখা হবে সেটাকে নতুন শব্দের শুরু হিসেবে বিবেচনা করা হবে। আর ক্ষিপ্র-তে সেমিকোলন (;) হলো পৃথায়ক। এর ব্যবহার এরকম:
সাধারণ ভাবে ka = কা, কিন্তু মাঝে পৃথায়ক বসালে, k;a = কআ।
পৃথায়ককে যুক্তবর্ণ গঠন রোধ করতে ব্যবহার করা যায়। যেমন:
বুধবার = budh;bar
তবে যদি সম্ভাব্য যুক্তবর্ণ না থাকে তাহলে পৃথায়ক দেওয়া লাগবে না। যেমন:
লিখতে = likhte
একটা শব্দে যতবার ইচ্ছা পৃথায়ক ব্যবহার করা যাবে। এবং সেই পৃথায়কের পরে ক্ষিপ্র শব্দের শুরুর মতো আচরণ করবে।
(বি. দ্র. ক্ষিপ্রতে সেমিকোলন লিখতে হলে দুবার সেমিকোলন চাপতে হবে।)

মডিফায়ার

মডিফায়ার হিসেবে f ব্যবহৃত হবে।
যেমন; tf = ট।
মডিফায়ার হিসেবে / ব্যবহার করা হয়েছে ৎ লেখার জন্য। যেমন:
ৎ = t/
বিস্তারিত বর্ণনা নিচে দেওয়া হবে।

কারচিহ্ন ও স্বরবর্ণ লেখা

  1. ব্যঞ্জনবর্ণের পরে কারচিহ্ন অটো তৈরি হবে। যেমন:
    ka = কা
    1. তবে এই আচরণের ব্যতিক্রম চাইলে f যোগ করতে হবে। যেমন:
      kaf = কআ
    2. উপরের ব্যতিক্রম আচরণের আবার দুটি ব্যতিক্রম আছে: ঐ এবং ঔ লেখার ক্ষেত্রে।
      যেমন:
      boi = বৈ, কিন্তু, boif = বই (লক্ষ করুন, ‘বঐ’ নয়)।
      তেমনি:
      bou = বৌ, কিন্তু, bouf = বউ (‘বঔ’ নয়)।
      এমন আচরণ রাখার কারণ: ঐ শব্দগুলো লিখতে গেলে অনেকে ‘বই’ লিখতে গিয়ে ‘বৈ’ লিখে ফেলতে পারেন, যেটা তৎক্ষণাৎ ব্যাকস্পেস ছাড়াই (শুধু f যোগ করে) সংশোধন করতে পারবেন।
  2. শব্দের শুরুতে কিংবা স্বরবর্ণের (এবং কারচিহ্নের) পরে স্বরবর্ণের পূর্ণরূপ অটো তৈরি হবে।
    যেমন:
    ai = আই, khai = খাই।
    1. তবে এর ব্যতিক্রম চাইলে স্বরের আগে f যোগ করতে হবে।
      যেমন:
      khafi = খাি (আ কারের পরে জোর করে ই কার যোগ করানো হয়েছে)।
      এই আচরণের উপযোগিতা হচ্ছে ব্যঞ্জনের পরে কার চিহ্ন দিতে ভুলে গিয়ে স্পেস চেপে ফেললে; যেমন: ‘kak ’ = ‘কাক’ লেখার পরে যদি আ-কার যোগ করতে চাই, তবে শেষের k মোছা লাগবে না। ‘kak’ এর পরের স্পেস মুছে ‘fa’ লিখলেই ‘া’ যুক্ত হয়ে যাবে।
  3. বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, প্রচলিত কারচিহ্ন এবং স্বরবর্ণগুলোর পাশাপাশি ‘অ্যা’-কেও স্বর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তাই উপরের নিয়মগুলো এটার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
    যেমন:
    rae = র‍্যা, fae = ্যা
    1. ‍্যা একাধিক উপায়ে লেখা যাবে। যেমন:
      baekhza = ব্যাখ্যা
      (অর্থাৎ ব্যবহারকারী এটাকে তাঁর সুবিধামতো স্বরচিহ্ন কিংবা য-ফলায় আ-কার হিসেবে ট্রিট করতে পারবেন)
    2. র-এ য-ফলাও উপরের দুটি উপায়েই লেখা যাবে। যেমন:
      র‍্যা = rae অথবা rza
    3. অ্যা এর পাশাপাশি আরও কিছু অতিরিক্তকে স্বর হিসেবে ম্যাপ করা হয়েছে। যেমন:
      1. ওয়া = wa [ওয়াটার = watfar] [সোয়া = swa] [খাওয়া = khawa]
      2. ওয়ে = we [ওয়েদার = wedar] [সোয়েটার = swetfar]
      3. ওয়্যা = wae [সফটওয়্যার = sophtfwaer] লক্ষণীয় যে এই ৩য়টার ক্ষেত্রে কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ রাখা হয়নি, যেমনটা আগের দুটোর ক্ষেত্রে আছে।

স্বচ্ছ রূপের কারচিহ্ন লেখা (শু / শ‌ু)

বেশ কিছু ফন্টে স্বরচিহ্ন অস্বচ্ছ রূপে লেখা হয়। যেমন: রু, রূ, হৃ ইত্যাদি ক্ষেত্রে কারচিহ্ন নিচে না বসে ডানপাশে বিশেষ রূপে এসেছে। এসব ক্ষেত্রে স্বাভাবিক নিয়মে কারচিহ্নগুলো লিখলে সেগুলো ফন্টের কারণেই অস্বচ্ছ রূপে আসবে। স্বচ্ছ রূপে লেখার জন্য কারচিহ্নের আগে ZWNJ ব্যবহার করতে হয়। এই কাজটি সহজে করার জন্য ক্ষিপ্র-তে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

  1. অস্বচ্ছ রূপের পরিবর্তে জোর করে স্বচ্ছ রূপে স্বরচিহ্ন লিখতে স্বরচিহ্ন লেখার পরে ff যোগ করতে হবে। যেমন:
    রু = ru কিন্তু, র‌ু = ruff
    হৃ = hq কিন্তু, হ‌ৃ = hqff
  2. পূর্বে লেখা কোনো বর্ণের পরে স্বরচিহ্ন যোগ করতে স্বরের পূর্বে f ব্যবহার করা হয়। যেমন: া = fa.
    ঠিক তেমনিভাবে স্বচ্ছ রূপের কারচিহ্নগুলো লিখতে পূর্বে f যোগ করার পাশাপাশি পরেও f যুক্ত করতে হবে। যেমন:
    ু = fu, ZWNJ + ু = fuf

ং (অনুস্বার), এবং ঙ লেখা

  1. ng = ং হবে। যেমন:
    বাংলা = bangla
    ব্যাং = baeng
  2. ng এর পর স্বরচিহ্ন দিলে ঙ লেখা হবে। অর্থাৎ, ঙ এর পরে কারচিহ্ন সাধারণ নিয়মে দেওয়া যাবে। যেমন:
    বাঙালি = bangali
  3. ng এর পরে কিছু কিছু ব্যঞ্জন (যেসব ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ঙ এর যুক্তবর্ণ সম্ভব, অর্থাৎ ক খ গ ঘ ম এবং ক্ষ) এলে ঙ+ওই ব্যঞ্জন মিলে যুক্তবর্ণ গঠিত হবে। যেমন:
    শঙ্খ = shongkh
    অঙ্ক = ongko
    1. তবে উপরের আচরণের ব্যতিক্রম প্রয়োজন হলে ng এর পরে পৃথায়ক বসাতে হবে। অর্থাৎ, যুক্তবর্ণ না গঠন করে ং লিখতে চাইলে ng এর পরে পৃথায়ক ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
      সংখ্যা = song;khza
      অংক = ong;k
    2. স্বাধীনভাবে ং লেখা যাবে oo দিয়ে। এতে পৃথায়ক ব্যবহার বা যুক্তবর্ণ গঠন না করেই ং লেখা যাবে। যেমন:
      সংখ্যা = sookhza
      অংক = oook
  4. শব্দের শেষে ঙ লিখতে হলে, অর্থাৎ, ং এর বদলে ঙ এর প্রয়োজন হলে ng এর পরিবর্তে ngf লিখতে হবে। যেমন:
    ব্যাঙ = baengf
    1. যদি ঙ লিখতে ngf ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে সেই ঙ দিয়েও যুক্তবর্ণ গঠন করা যাবে। অর্থাৎ, যুক্তবর্ণে ঙ কে ng কিংবা ngf উভয় উপায়েই লেখা যাবে। যেমন:
      ঙ্ক = ngfk, কিংবা ngk

ঞ লেখা

  1. ঞ প্রায় সবসময়ই যুক্তবর্ণ রূপে আসে। সেক্ষেত্রে শুধু n দিয়েই ঞ লেখা যাবে। যেমন:
    ঞ্চ = nc [পঞ্চাশ = poncash]
    ঞ্জ = nj [ব্যঞ্জন = bznjon]
    ইত্যাদি।
  2. ঞ মুক্তভাবে আসলে nff দিয়ে লিখতে হবে। যেমন:
    ঞ = nff [মিঞা = minffa]
  3. বলা বাহুল্য, চাইলে nff দিয়েও যুক্তবর্ণে ঞ লেখা যাবে। তবে n দিয়েই লেখা সম্ভব হওয়ায় তার প্রয়োজন হবে না।

অন্যান্য ব্যঞ্জনবর্ণ লেখা

  1. মহাপ্রাণ বর্ণগুলো লিখতে h ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
    খ = kh, ঘ = gh
  2. ট-বর্গীয় বর্ণগুলো লিখতে f ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
    ট = tf, ড = df
    ঠ = tff, ঢ = dff
  3. শ, ষ, স লেখার নিয়ম:
    শ = sh
    ষ = sf
    স = s
  4. ন, ণ লেখা:
    ন = n
    ণ = nf
  5. ড়, ঢ় লেখা:
    ড় = rf
    ঢ় = rff
  6. হ়, জ় ইত্যাদি লেখার জন্য নুকতার ব্যবহার করতে হবে। নুকতা ক্ষিপ্রতে দুই কমা ব্যবহার করে দেওয়া যায়। যেমন:
    জ় = j,, [সিরিজ় = sirij,,]
    বি.দ্র. কেউ দুই কমা লিখতে চাইলে তিন কমা দিয়ে দুই কমা লেখা যাবে। যেমন:
    ,, = ,,,
  7. ক্ষ লেখা: ক্ষ যদিও যুক্তবর্ণ তবুও এখানেও আলোচনা করা হচ্ছে। ক্ষ তিনভাবে লেখা যাবে: ক্ষ = kf, kkh, ksf. যেকোনো সুবিধাজনক উপায়ে লিখতে পারবেন।

চন্দ্রবিন্দু (ঁ), বিসর্গ (ঃ), অনুস্বার (ং), এবং খণ্ড-ত (ৎ) লেখা

  1. চন্দ্রবিন্দু লিখতে স্ল্যাশ (/) ব্যবহার করা হবে। যেমন:
    চাঁদ = ca/d
  2. বিসর্গ লিখতে x ব্যবহার করা হবে। যেমন:
    দুঃখ = duxkh
  3. অনুস্বার লেখার নিয়ম আলাদাভাবে আলোচিত হয়েছে।
  4. খণ্ড-ত (ৎ) লিখতে t/ ব্যবহার করা হবে। যেমন:
    উৎস = ut/s

নুকতা (়) দেওয়া

কোনো বর্ণের নিচে নুকতা দিতে দুই কমা ব্যবহার করা হবে। যেমন:
হ় = h,,
তবে দুই কমা লিখতে তিন কমা ব্যবহার করা হবে। (পূর্বেও আলোচিত হয়েছে)

হসন্ত লেখা

  1. বাংলা ভাষায় প্রচলিত যেকোনো যুক্তবর্ণ গঠনের জন্য ক্ষিপ্রতে আলাদা করে হসন্ত ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। সেসব যুক্তবর্ণ আপনিই গঠিত হবে। যেমন:
    ক্ক = kk, ম্ন = mn, ইত্যাদি।
    (যুক্তবর্ণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে সংযুক্ত আছে।)
  2. কোনো যুক্তবর্ণ গঠনের পরিবর্তে হসন্ত সহ যুক্তবর্ণ গঠনকারী বর্ণগুলো ভেঙে দেখাতে চাইলে বর্ণগুলোর মাঝে xx বসাতে হবে। তাহলে হসন্ত বসার পাশাপাশি একটি ZWNJ বসে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে যুক্তবর্ণটি ভেঙে দেখাবে। যেমন:
    উদ্‌দীন = udxxdiin
  3. শুধু হসন্ত লিখতে qq ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
    ্ = qq
    1. অতি অপ্রচলিত যুক্তবর্ণ লিখতে এই হসন্ত ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন:
      কিল্ন = kilqqn

রেফ লেখা

রেফ লেখার জন্য ব্যঞ্জনবর্ণের আগে rr ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
অর্ক = orrk

র-ফলা ও য-ফলা লেখা

যেকোনো ব্যঞ্জনবর্ণ ও যুক্তবর্ণের পরে র-ফলা ও য-ফলা লেখার জন্য কেবল r এবং z ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
র‍্য = rz
ক্র = kr
ক্ষ্য = kfz
ক্ষ্র = kfr

ব-ফলা লেখা

ব-ফলাকে অন্যান্য যুক্তবর্ণের মধ্যে রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ব-ফলার জন্য আলাদা ম্যাপিং রাখা হয়নি। ব এবং ব-ফলা উভয়ের জন্য b ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
বল = bol
ধ্বনি = dhbni
যেহেতু b একই সাথে ব এবং ব-ফলা উভয়ের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই কোথাও ব-ফলা এড়াতে পৃথায়ক ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
বুধবার = budh;bar

ক্ষ লেখা

ক্ষ তিনভাবে লেখা যাবে: kf, kkh, ksf. যেমন:
অক্ষ = okf
অক্ষ = okkh
অক্ষ = oksf

জ্ঞ এবং গ্গ লেখা

  1. জ্ঞ বহুল ব্যবহৃত একটি যুক্তবর্ণ হওয়ায় এটি লেখার একটা শর্টকাট রাখা হয়েছে। তাই জ্ঞ মোট দুই ভাবে লেখা যাবে:
    1. jnff → জ্ঞ (যেটা জ+ঞ=জ্ঞ এই যুক্তিতে রাখা হয়েছে।)
    2. শর্টকাট: gg → জ্ঞ (যেটা উচ্চারণের যুক্তিতে রাখা হয়েছে।)
      উদাহরণ:
      বিজ্ঞান = biggan
  2. gg তে জ্ঞ রাখার কারণে গ্গ এই যুক্তবর্ণটির জন্য ভিন্ন ব্যবস্থা করা হয়েছে।
    উল্লেখ্য যে: গ্গ এই যুক্তবর্ণটি বাংলা একাডেমির প্রস্তুতকৃত যুক্তবর্ণ তালিকা— "বাংলা যুক্তব্যঞ্জনের তালিকা ও ধ্বনিচিহ্ন” এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয়; কেননা এই যুক্তবর্ণটি বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। তবে কিছু শব্দের আঞ্চলিক উচ্চারণ লিখতে এই যুক্তবর্ণটি কেউ ব্যবহার করতে চাইতে পারেন।
    যেমন: ‘দুগগা’ শব্দটি 'দুর্গা’ শব্দের আঞ্চলিক উচ্চারণ হতে পারে। সেক্ষেত্রে কেউ সেটিকে 'দুগ্গা’ আকারে লিখতে চাইতে পারেন।
    গ্গ দুইভাবে লেখা যাবে:
    1. গ্গ = gqqg
      এই নিয়মটি হসন্ত লেখার নিয়মে উল্লেখ করা হয়েছে। জোরপূর্বক যেকোনো অতি অপ্রচলিত যুক্তবর্ণ লেখার জন্যই এই নিয়মটি প্রযোজ্য। যেমন:
      দুগ্গা = dugqqga
    2. গ্গ = ggg
      এই যুক্তবর্ণটি সহজে লেখার জন্য এই শর্টকাটটি রাখা হয়েছে। যেমন:
      দুগ্গা = duggga

ড্ড ও ট্ট লেখা

ট-বর্গীয় ব্যঞ্জনগুলো লিখতে f ব্যবহার করা হয়। এটা পূর্বে আলোচিত হয়েছে। ড্ড ও ট্ট লিখতে যথাক্রমে dfdf ও tftf লাগায় অর্থাৎ ৪টি কিস্ট্রোক লাগায় এই দুই যুক্তবর্ণের জন্য শর্টকাট আনা হয়েছে। তাই ড্ড ও ট্ট দুই ভাবে লেখা যাবে:

  1. ত্ত লিখতে tt, এবং দ্দ লিখতে dd ব্যবহার করা হয়। এগুলোর পরে শুধু একটা f যুক্ত করলেই এগুলো দন্তমূলীয় (অর্থাৎ, ট-বর্গীয় হয়ে যাবে)। যেমন:
    ট্ট = ttf
    ড্ড = ddf
  2. আর স্বাভাবিক নিয়মে তো লেখা যাবেই। যেমন:
    ট্ট = tftf
    ড্ড = dfdf

অন্যান্য যুক্তবর্ণ

  1. অন্যান্য সকল যুক্তবর্ণ লেখার জন্য কেবল যেসব ব্যঞ্জনবর্ণ দিয়ে ঐ যুক্তবর্ণ গঠিত হয়েছে সেগুলো পরপর লিখলেই হবে (রেফ ব্যতীত)। যেমন:
    ক্ক = kk
    ক্ত = kt
    ক্ট = ktf
    স্ব = sb
    ন্ম = nm
    সকল যুক্তবর্ণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা নিচে সংযুক্ত করা আছে।
  2. যেখানে যুক্তবর্ণ গঠন সম্ভব সেখানে যুক্তবর্ণ গঠন রোধ করার জন্য পৃথায়ক ব্যবহার করতে হবে। যেমন:
    গলপো = gol;pw
    অংক = ong;k
    তবে চাইলে o ব্যবহার করেও সেটা করা যায়। যেমন:
    খবর = khobor
    আর যেখানে যুক্তবর্ণ গঠন সম্ভব নয় সেখানে পৃথায়ক ব্যবহার না করলেও চলবে। যেমন:
    লিখতে = likhte
    ঠিকঠাক = tffiktffak

বিযুক্ত যুক্তবর্ণ

বাংলা একাডেমির নির্দেশনা অনুযায়ী কিছু কিছু যুক্তবর্ণ বিযুক্ত রূপে লেখা লাগে।
যেমন: উদ্বায়ী অশুদ্ধ বানান (কেননা এতে মনে হয় এটার উচ্চারণ /উদ্‌দায়ি/, যেটা সত্য নয়। শব্দটির উচ্চারণ /উদ্‌বায়ি/ এবং সঠিক বানান উদ্‌বায়ী।
দ+ব এর দুটি রূপ রয়েছে। নিচে এটা নিয়ে আলোচনা করা হলো।

দ+ব এর দুই রূপ

দ + ব = দ্‌ব [যেমন: উদ্‌বায়ী]
কিন্তু, দ + অন্তঃস্থ ব = দ্ব [যেমন: দ্বারা]
ক্ষিপ্রতে এদেরকে নিম্নরূপে লেখা যাবে:
দ্ব = db
দ্‌ব = dxxb

অন্যান্য বিযুক্ত যুক্তবর্ণ

অন্যান্য যেসব যুক্তবর্ণ বিযুক্ত রূপে লেখার নিয়ম সেগুলোর প্রায় সবগুলোরই কেবল বিযুক্ত রূপটাই আছে, যুক্ত রূপ নেই।
যেমন: উদ্‌গীরণ, খড়্‌গ, ইত্যাদি।
এগুলো লেখার জন্য xx ব্যবহার করা লাগবে না।
এগুলোর ম্যাপিং নিম্নরূপ:
গ্‌ণ = gnf
ঙ্‌ক্ত = ngkt
ড়্‌গ = rfg
দ্‌গ = dg
দ্‌ঘ = dgh
ল্‌ভ = lv

দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন, ও অন্যান্য চিহ্ন

  1. দাঁড়ি দিতে fullstop ব্যবহার করা হবে। যেমন:
    কথা। = kotha.
  2. বিন্দু বা ডট বা ফুলস্টপ দিতে দুইবার ডট দিতে হবে। যেমন:
    বি. দ্র. = bi.. dr..
  3. বহুবিন্দু বা এলিপসিস বা তিন বিন্দু দিতে তিনবার ডট দিতে হবে। যেমন:
    জানি… = jani…
  4. কমা স্বাভাবিকভাবে দেওয়া যাবে।
  5. সেমিকোলন যেহেতু পৃথায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হবে তাই সেমিকোলন দিতে হলে দুবার সেমিকোলন দিতে হবে। যেমন:
    ; = ;;
  6. স্ল্যাশ (/) যেহেতু চন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহৃত হবে তাই স্ল্যাশ লিখতে দুবার স্ল্যাশ দিতে হবে। যেমন:
    / = //
  7. গুণ চিহ্ন ও ভাগ চিহ্ন দেওয়া:
    1. গুণ চিহ্ন দিতে +f লিখতে হবে। যেমন:
      ২×২ = 2+f2
    2. ভাগ চিহ্ন দিতে -f লিখতে হবে। যেমন:
      ২÷২ = 2-f2
  8. টাকা চিহ্ন দিতে $ দিতে হবে। যেমন:
    ৳২ = $2
  9. রুপি চিহ্ন দিতে $f দিতে হবে। যেমন:
    ₹২ = $f2
  10. ডলার চিহ্ন দিতে $$ দিতে হবে। যেমন:
    $২ = $$2

ইংরেজি বর্ণমালা

Caps lock চেপে কিংবা shift চেপে ধরে রেখে ক্ষিপ্র দিয়ে লিখলে, অর্থাৎ বড়ো হাতের ইংরেজি অক্ষর লিখলে ক্ষিপ্র চালু থাকা অবস্থায় ছোটো হাতের ইংরেজি অক্ষর আসবে। যেমন:
BTW ami arrc iujar = btw আমি আর্চ ইউজার

বাংলা অঙ্ক ও দশমিক বিন্দু

  1. ইংরেজি অঙ্ক লিখলে সেগুলোই বাংলা অঙ্ক হয়ে যাবে। যেমন:
    ১২৩ = 123
  2. দশমিক বিন্দু দিতে আলাদা করে কিছু করতে হবে না। কোনো অঙ্কের আগে দশমিক বিন্দু অটো তৈরি হবে। যেমন:
    ১.১ = 1.1
    .০১ = .01

ZWNJ ও ZWJ এর ব্যবহার

  1. ZWNJ (zero width non-joiner) দিয়ে সাধারণভাবে যুক্ত হয়ে যাওয়া গ্লিফকে বিযুক্ত করে লেখা হয়। যেমন: শ তে উ-কার দিলে বেশিরভাগ ফন্ট সেটাকে যুক্ত করে দিয়ে অস্বচ্ছ গ্লিফে লেখে (যেমন: শু)।
    স্বচ্ছ আকারে স্বরচিহ্ন লেখার জন্য ক্ষিপ্রতে শর্টকাট রাখা হয়েছে। যেমন:
    রু = ru কিন্তু, র‌ু = ruff
  2. শব্দের মাঝে হসন্ত দেখাতে ZWNJ ব্যবহৃত হয়। হসন্তের কাজ যুক্তবর্ণ তৈরি করা। একাধিক ব্যঞ্জনবর্ণের মাঝে হসন্ত এলে বর্ণগুলো যুক্তবর্ণে পরিণত হয়। ফলে হসন্তকে দেখা যায় না। হসন্তের পরে ZWNJ ব্যবহার করা হলে হসন্ত যুক্তবর্ণ তৈরি করতে পারে না। ফলে হসন্তকে স্পষ্ট রূপে দেখা যায়। যেমন:
    উদ + ্ + zwnj + দীন = উদ্‌দীন
    ক্ষিপ্রতে xx (দুইবার x ) লিখে এই কাজটি সহজেই করা যাবে। যেমন:
    udxxdiin = উদ্‌দীন
  3. ZWJ (zero width joiner) কোথাও কোনো কম্বিনেশনে একাধিক স্থানে যুক্ত করা সম্ভব হলে কোন দুটি বর্ণকে যুক্ত করা হবে তা নির্দিষ্ট করে দিতে ব্যবহৃত হয়। যেমন:
    র ও য এর মাঝে হসন্ত দিলে তা র্য (য-এর উপর রেফ) হয়ে যায়। তাই র‍্য একটি বিশেষ নিয়মে লিখতে হয়। এজন্য র‍্য লেখার সময় র-এর পরে এবং হসন্তের আগে ZWJ ব্যবহার করা হয়। এতে প্রথমত এটি র, ্, এবং য -কে দুটি গ্রুপে ভাগ করে দেয়, এবং একই সাথে এটি ‘র’ কে পরবর্তী গ্রুপের সাথে যুক্ত করে দেয়। যেমন:
    র + zwj + ্ + য = র‍্য [ক্ষিপ্রতে এটা কেবল rz দিয়েই লেখা যায়। তবে চাইলে r;~~;qqz এভাবেও লেখা যাবে]
    উপরে ব্যবহৃত “~~” হলো zwj এর জন্য ক্ষিপ্র-র ম্যাপিং। ক্ষিপ্র-র পূর্ণাঙ্গ ম্যাপিং সেকশনে এর উল্লেখ রয়েছে।
  4. যুক্তবর্ণ গঠনে কাল্পনিক (বা অদৃশ্য) বর্ণ হিসেবে ZWJ ব্যবহার করা যায়। ফলে প্রথম বর্ণের ছোটো রূপ দেখা যায়। যেমন:
    ক + ্ + ZWJ = ক্‍ [ক্ষিপ্রতে এটা লিখতে kqq~~ লিখতে হবে।]
  5. বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ZWNJ লিখতে চাইলে `` (দুটি ব্যাকটিক) দিয়ে লেখা যাবে।

ইনস্টলেশন {#ইনস্টলেশন}

বিভিন্ন সিস্টেমে ক্ষিপ্র কিবোর্ড ইনস্টলেশনের পদ্ধতির লিংক ক্ষিপ্র-র ওয়েবসাইটে দেওয়া আছে।

ক্ষিপ্র ম্যাপিংয়ের পূর্ণাঙ্গ সারণি

স্বরবর্ণ ও স্বরচিহ্ন

ম্যাপিং উদাহরণ
ইনপুট আউটপুট ইনপুট আউটপুট
o omor অমর
a
amar
kaka
আমার
কাকা
i
ি
iti
ki
ইতি
কি
ii
iid
kii
ঈদ
কী
u
ui
oju
উই
অজু
uu
uuru
kuup
ঊরু
কূপ
q
qju
kqtii
ঋজু
কৃতী
e
ebar
ke
এবার
কে
oi
oik
koi
ঐক
কৈ
w
wstad
kwn
ওস্তাদ
কোন
ou
oucitz
nou
ঔচিত্য
নৌ
ae অ্যা
্যা
aep
maep
অ্যাপ
ম্যাপ
aef অ্যা hwatfsaefp হোয়াটসঅ্যাপ
wa ওয়া
োয়া
watfar
dhwa
ওয়াটার
ধোয়া
we ওয়ে
োয়ে
wedar
swetfar
ওয়েদার
সোয়েটার
wae ওয়্যা harrdfwaer হার্ডওয়্যার

স্বরবর্ণ ও স্বরচিহ্ন টিপ্‌স

ম্যাপিং উদাহরণ
ইনপুট আউটপুট ইনপুট আউটপুট
o (অ-কার) kol
oto
কল
অত
; পৃথায়ক ও যুক্তবর্ণ রোধক am;ar
chok;ka
আমআর
ছককা
f{কার} শব্দের শুরুতে কারচিহ্নের বদলে
স্বরবর্ণ আসা রোধ করবে।
far ার
{ব্যঞ্জন}oif {ব্যঞ্জন} ই boif বই
{ব্যঞ্জন}ouf {ব্যঞ্জন} উ bouf বউ
{ব্যঞ্জন}{কার}f {ব্যঞ্জন}{স্বরবর্ণ} (ঐ, ঔ বাদে) bif বই
{কার}ff স্বচ্ছ স্টাইলের কারচিহ্ন ruup
ruuffp
রূপ
র‌ূপ

ব্যঞ্জনবর্ণ

ম্যাপিং উদাহরণ
ইনপুট আউটপুট ইনপুট আউটপুট
k kolom, k;l;m কলম
kh khata খাতা
g garfi গাড়ি
gh ghor, gh;r ঘর
ngf (স্বাধীন)
ng{কার}
ng (যুক্তবর্ণে)
rongf
ranga
rangga
রং
রাঙা
রাঙ্গা
c ca চা
ch chata ছাতা
j jadughor জাদুঘর
jh jhorf ঝড়
nff minffa
jhonjha
মিঞা
ঝঞ্ঝা
tf tfaka
ottf
টাকা
অট্ট
tff tffandfa ঠান্ডা
df odfitf
addfa
অডিট
আড্ডা
dff dffaka ঢাকা
nf boronf বরণ
t tumi
twmar
তুমি
তোমার
th thaka থাকা
d d;i, dif দই
dh dhakka
dhbni
ধাক্কা
ধ্বনি
n nombor, n;mb;r নম্বর
p pakhi পাখি
ph phol ফল
b barfi বাড়ি
v vorpur ভরপুর
m matfi মাটি
z zokhon, zkhn যখন
r rong রং
l lav লাভ
sh shobd শব্দ
sf susfom সুষম
s sob সব
h hawa হাওয়া
y upay উপায়
rf jwrfa জোড়া
rff asfarff আষাঢ়

বিশেষ কিছু যুক্তবর্ণ এবং বিবিধ

ম্যাপিং উদাহরণ
ইনপুট আউটপুট ইনপুট আউটপুট
rr রেফ porrzay পর্যায়
rz র‍্য rzam, raem র‍্যাম
kf, kkh, ksf ক্ষ shikfa শিক্ষা
nc ঞ্চ poncash পঞ্চাশ
nch ঞ্ছ bancha বাঞ্ছা
nj ঞ্জ bznjon ব্যঞ্জন
njh ঞ্ঝ jhonjhatf ঝঞ্ঝাট
gg, jnff জ্ঞ biggan বিজ্ঞান
ggg গ্গ duggga দুগ্গা
ttf, tftf ট্ট cottfgram চট্টগ্রাম
ddf, dfdf ড্ড addfa আড্ডা
sfk ষ্ক shusfk শুষ্ক
sftf ষ্ট misftfi মিষ্টি
sftff ষ্ঠ kasftff কাষ্ঠ
sfn, sfnf ষ্ণ usfn উষ্ণ
sfp ষ্প basfp বাষ্প
sfph ষ্ফ nisfphol নিষ্ফল
qq ্ (হসন্ত) জোরপূর্বক যুক্তবর্ণ গঠন করতে।
যেমন: kilqqn = কিল্ন
xx ্{ZWNJ} হসন্ত সাথে ZWNJ. যুক্তবর্ণ গঠন
করবে না এমন হসন্ত। শব্দের মাঝে
হসন্ত দেখাতে।
যেমন: udxxdiin = উদ্‌দীন
`` [ZWNJ] হসন্তের যুক্তবর্ণ গঠন রোধ করে,
যা ঠিক এর উপরের ঘরেই
আলোচিত হয়েছে। এছাড়া স্বচ্ছ
স্টাইলের কারচিহ্ন লিখতে এটি
ব্যবহৃত হয়।
~~ [ZWJ] র‍্য লিখতে এবং যুক্তবর্ণের সংক্ষিপ্ত
গ্লিফ লিখতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ডায়াক্রিটিক, বিরামচিহ্ন, ও বিবিধ

ম্যাপিং মন্তব্য/উদাহরণ
ইনপুট আউটপুট
t/ খণ্ড-ত, ut/s = উৎস
x বিসর্গ, duxkh = দুঃখ
ng
ng;
oo
অনুস্বার, bangla = বাংলা
baeng;k = ব্যাংক
baeook = ব্যাংক
/ চন্দ্রবিন্দু, ta/der = তাঁদের
. দাঁড়ি
.f ডাবল দাঁড়ি
.ff ঈশ্বর চিহ্ন
oof অবগ্রহ
,, নুকতা, sirij,, = সিরিজ়, h,,asan = হ়াসান
.. . ডট বা বিন্দু। bi..dro.. = বি.দ্র.
বহুবিন্দু বা এলিপসিস বা তিন ডট
,,, ,, পরপর দুইবার কমা
;; ; সেমিকোলন
// / ফরওয়ার্ড স্ল্যাশ
.{অঙ্ক} .{অঙ্ক} 3.1416 = ৩.১৪১৬
$ টাকা চিহ্ন
$f রুপি চিহ্ন
$$ $ ডলার চিহ্ন
+f × গুণ চিহ্ন
-f ÷ ভাগ চিহ্ন
=f অসমান চিহ্ন

যুক্তবর্ণের পূর্ণাঙ্গ তালিকা

যুক্তবর্ণ ম্যাপিং গঠন
র‍্য rz র‍+য
ক্ক kk ক+ক
ক্ট ktf ক+ট
ক্ট্র ktfr ক+ট+র
ক্ত kt ক+ত
ক্ত্র ktr ক+ত+র
ক্ব kb ক+ব
ক্ম km ক+ম
ক্য kz ক+য
ক্র kr ক+র
ক্ল kl ক+ল
ক্ষ kf ক+ষ
ক্ষ ksf ক+ষ
ক্ষ kkh ক+ষ
ক্ষ্ণ kfnf ক+ষ+ণ
ক্ষ্ণ kfn ক+ষ+ণ
ক্ষ্ণ ksfnf ক+ষ+ণ
ক্ষ্ণ ksfn ক+ষ+ণ
ক্ষ্ণ kkhn ক+ষ+ণ
ক্ষ্ণ kkhnf ক+ষ+ণ
ক্ষ্ব kfb ক+ষ+ব
ক্ষ্ব ksfb ক+ষ+ব
ক্ষ্ব kkhb ক+ষ+ব
ক্ষ্ম kfm ক+ষ+ম
ক্ষ্ম kkhm ক+ষ+ম
ক্ষ্ম ksfm ক+ষ+ম
ক্ষ্য kfz ক+ষ+য
ক্ষ্য ksfz ক+ষ+য
ক্ষ্য kkhz ক+ষ+য
ক্স ks ক+স
খ্য khz খ+য
খ্র khr খ+র
গ্গ ggg গ+গ
গ্‌ণ gnf গ+‌ণ
গ্ধ gdh গ+ধ
গ্ধ্য gdhz গ+ধ+য
গ্ধ্র gdhr গ+ধ+র
গ্ন gn গ+ন
গ্ন্য gnz গ+ন+য
গ্ব gb গ+ব
গ্ম gm গ+ম
গ্য gz গ+য
গ্র gr গ+র
গ্র্য grz গ+র+য
গ্ল gl গ+ল
ঘ্ন ghn ঘ+ন
ঘ্র ghr ঘ+র
ঙ্ক ngk ঙ+ক
ঙ্‌ক্ত ngkt ঙ+‌ক+ত
ঙ্ক্য ngkz ঙ+ক+য
ঙ্ক্র ngkr ঙ+ক+র
ঙ্ক্ষ ngkkh ঙ+ক+ষ
ঙ্ক্ষ ngksf ঙ+ক+ষ
ঙ্খ ngkh ঙ+খ
ঙ্গ ngg ঙ+গ
ঙ্গ্য nggz ঙ+গ+য
ঙ্ঘ nggh ঙ+ঘ
ঙ্ঘ্য ngghz ঙ+ঘ+য
ঙ্ঘ্র ngghr ঙ+ঘ+র
ঙ্ম ngm ঙ+ম
চ্চ cc চ+চ
চ্ছ cch চ+ছ
চ্ছ্ব cchb চ+ছ+ব
চ্ছ্র cchr চ+ছ+র
চ্ঞ cnff চ+ঞ
চ্ব cb চ+ব
চ্য cz চ+য
জ্জ jj জ+জ
জ্জ্ব jjb জ+জ+ব
জ্ঝ jjh জ+ঝ
জ্ঞ jnff জ্ঞ
জ্ঞ gg জ্ঞ
জ্ব jb জ+ব
জ্য jz জ+য
জ্র jr জ+র
ঞ্চ nc ঞ+চ
ঞ্চ nffc ঞ+চ
ঞ্জ nj ঞ+জ
ঞ্জ nffj ঞ+জ
ঞ্ঝ njh ঞ+ঝ
ঞ্ঝ nffjh ঞ+ঝ
ঞ্ছ nch ঞ+ছ
ঞ্ছ nffch ঞ+ছ
ট্ট ttf ট+ট
ট্ট tftf ট+ট
ট্ব tfb ট+ব
ট্ম tfm ট+ম
ট্য tfz ট+য
ট্র tfr ট+র
ড্ড ddf ড+ড
ড্ড dfdf ড+ড
ড্ব dfb ড+ব
ড্য dfz ড+য
ড্র dfr ড+র
ড়্‌গ rfg ড়+‌গ
ঢ্য dffz ঢ+য
ঢ্র dffr ঢ+র
ণ্ট nftf ণ+ট
ণ্ঠ nftff ণ+ঠ
ণ্ঠ্য nftffz ণ+ঠ+য
ণ্ড nfdf ণ+ড
ণ্ড্য nfdfz ণ+ড+য
ণ্ড্র nfdfr ণ+ড+র
ণ্ঢ nfdff ণ+ঢ
ণ্ণ nfnf ণ+ণ
ণ্ণ nfn ণ+ণ
ণ্ব nfb ণ+ব
ণ্ম nfm ণ+ম
ণ্য nfz ণ+য
ত্ত tt ত+ত
ত্ত্ব ttb ত+ত+ব
ত্ত্য ttz ত+ত+য
ত্থ tth ত+থ
ত্ন tn ত+ন
ত্ব tb ত+ব
ত্ম tm ত+ম
ত্ম্য tmz ত+ম+য
ত্য tz ত+য
ত্র tr ত+র
ত্র্য trz ত+র+য
থ্ব thb থ+ব
থ্য thz থ+য
থ্র thr থ+র
দ্‌গ dg দ+‌গ
দ্‌ঘ dgh দ+‌ঘ
দ্দ dd দ+দ
দ্দ্ব ddb দ+দ+ব
দ্ধ ddh দ+ধ
দ্ব db দ+ব
দ্ভ dv দ+ভ
দ্ভ্র dvr দ+ভ+র
দ্ম dm দ+ম
দ্য dz দ+য
দ্র dr দ+র
দ্র্য drz দ+র+য
ধ্ন dhn ধ+ন
ধ্ব dhb ধ+ব
ধ্ম dhm ধ+ম
ধ্য dhz ধ+য
ধ্র dhr ধ+র
ন্ট ntf ন+ট
ন্ট্র ntfr ন+ট+র
ন্ঠ ntff ন+ঠ
ন্ড ndf ন+ড
ন্ড্র ndfr ন+ড+র
ন্ত nt ন+ত
ন্ত্ব ntb ন+ত+ব
ন্ত্র ntr ন+ত+র
ন্ত্র্য ntrz ন+ত+র+য
ন্থ nth ন+থ
ন্থ্র nthr ন+থ+র
ন্দ nd ন+দ
ন্দ্ব ndb ন+দ+ব
ন্দ্য ndz ন+দ+য
ন্দ্র ndr ন+দ+র
ন্ধ ndh ন+ধ
ন্ধ্য ndhz ন+ধ+য
ন্ধ্র ndhr ন+ধ+র
ন্ন nn ন+ন
ন্ব nb ন+ব
ন্ম nm ন+ম
ন্য nz ন+য
ন্স ns ন+স
প্ট ptf প+ট
প্ত pt প+ত
প্ন pn প+ন
প্প pp প+প
প্য pz প+য
প্র pr প+র
প্ল pl প+ল
প্স ps প+স
ফ্র phr ফ+র
ফ্ল phl ফ+ল
ব্জ bj ব+জ
ব্দ bd ব+দ
ব্ধ bdh ব+ধ
ব্ব bb ব+ব
ব্য bz ব+য
ব্র br ব+র
ব্ল bl ব+ল
ভ্ব vb ভ+ব
ভ্য vz ভ+য
ভ্র vr ভ+র
ভ্ল vl ভ+ল
ম্ন mn ম+ন
ম্প mp ম+প
ম্প্র mpr ম+প+র
ম্ফ mph ম+ফ
ম্ব mb ম+ব
ম্ব্র mbr ম+ব+র
ম্ভ mv ম+ভ
ম্ভ্র mvr ম+ভ+র
ম্ম mm ম+ম
ম্য mz ম+য
ম্র mr ম+র
ম্ল ml ম+ল
য্য zz য+য
ল্ক lk ল+ক
ল্ক্য lkz ল+ক+য
ল্গ lg ল+গ
ল্ট ltf ল+ট
ল্ড ldf ল+ড
ল্প lp ল+প
ল্ফ lph ল+ফ
ল্ব lb ল+ব
ল্‌ভ lv ল+‌ভ
ল্ম lm ল+ম
ল্য lz ল+য
ল্ল ll ল+ল
শ্চ shc শ+চ
শ্ছ shch শ+ছ
শ্ন shn শ+ন
শ্ব shb শ+ব
শ্ম shm শ+ম
শ্য shz শ+য
শ্র shr শ+র
শ্ল shl শ+ল
ষ্ক sfk ষ+ক
ষ্ক্র sfkr ষ+ক+র
ষ্ট sftf ষ+ট
ষ্ট্য sftfz ষ+ট+য
ষ্ট্র sftfr ষ+ট+র
ষ্ঠ sftff ষ+ঠ
ষ্ঠ্য sftffz ষ+ঠ+য
ষ্ণ sfnf ষ+ণ
ষ্ণ sfn ষ+ণ
ষ্প sfp ষ+প
ষ্প্র sfpr ষ+প+র
ষ্ফ sfph ষ+ফ
ষ্ব sfb ষ+ব
ষ্ম sfm ষ+ম
ষ্য sfz ষ+য
স্ক sk স+ক
স্ক্র skr স+ক+র
স্খ skh স+খ
স্ট stf স+ট
স্ট্র stfr স+ট+র
স্ত st স+ত
স্ত্ব stb স+ত+ব
স্ত্য stz স+ত+য
স্ত্র str স+ত+র
স্থ sth স+থ
স্থ্য sthz স+থ+য
স্ন sn স+ন
স্প sp স+প
স্প্র spr স+প+র
স্প্ল spl স+প+ল
স্ফ sph স+ফ
স্ব sb স+ব
স্ম sm স+ম
স্য sz স+য
স্র sr স+র
স্ল sl স+ল
হ্ন hn হ+ন
হ্ণ hnf হ+ণ
হ্ব hb হ+ব
হ্ম hm হ+ম
হ্য hz হ+য
হ্র hr হ+র
হ্ল hl হ+ল

ডেভেলপারদের জন্য (For Developers)

ক্ষিপ্র পাইথন

  1. Khipro Python Version (ক্ষিপ্র পাইথন সংস্করণ) থেকে লজিক ব্লুপ্রিন্ট ব্যবহার করে ডেভেলপারগণ তাঁদের কিবোর্ডে ক্ষিপ্র ইমপ্লিমেন্ট করতে পারেন।
  2. ক্ষিপ্র-র মূল রিপোজিটরি khipro-m17n সহ অন্যান্য কয়েকটি ল্যাংগুয়েজে ক্ষিপ্র-র যেসব মডিউল তৈরি করা হয়েছে সেগুলোর একটা তালিকা ওয়েবসাইটের হোম পেজে ক্ষিপ্র রিপোজিটরি সমূহ সেকশনে দেওয়া হয়েছে।

টাচস্ক্রিনে অ্যাডাপটেশনের জন্য সাজেশন

ক্ষিপ্র কিবোর্ড টাচস্ক্রিনে ইমপ্লিমেন্ট করা হলে শিফট-কি এর জায়গায় ফরোয়ার্ড স্ল্যাশ (/) দেওয়া হবে (যেহেতু শিফট কি প্রয়োজন নেই), এবং স্পেসবারের ডান পাশে সেমিকোলন (;) দেওয়া হবে। এই দুটো বাটনই ক্ষিপ্র লেআউটে ব্যবহৃত হয়।
আর মোবাইল ফোনের কিবোর্ডের জন্য ক্ষিপ্রর ম্যাপিং থেকে নিম্নলিখিত ম্যাপিংগুলো বাদ দিতে হবে। কারণ মোবাইল ফোনে কিবোর্ডগুলোর লোকালাইজ্‌ড ভার্শন থাকে। ফলে এই ম্যাপিংগুলোর প্রয়োজন পড়বে না। ম্যাপিংগুলো হলো:

  1. সংখ্যার ম্যাপিং,
  2. ইংরেজি বর্ণমালার ম্যাপিং,
  3. দাঁড়ি, ডাবল দাঁড়ির ম্যাপিং,
  4. টাকা চিহ্ন, রুপি চিহ্ন এবং ডলার চিহ্নের ম্যাপিং,
  5. গুণ চিহ্ন, ভাগ চিহ্ন এবং অসমান চিহ্নের ম্যাপিং,
  6. ZWJ, ZWNJ-এর ম্যাপিং,
  7. অঙ্কের ম্যাপিং অর্থাৎ .{অঙ্ক} এর ম্যাপিং,
  8. ডট বা বিন্দুর ম্যাপিং,
  9. বহুবিন্দু বা এলিপসিস বা তিন ডটের ম্যাপিং,
  10. ব্যাকটিক এবং টিল্ডা রিলেটেড ম্যাপিংসমূহ।

Note

টাচস্ক্রিনের জন্য উপরে উল্লিখিত ম্যাপিংগুলো বাদ দেওয়ার পাশাপাশি ঈশ্বর চিহ্নের ম্যাপিংয়ে পরিবর্তন করতে হবে। ম্যাপিংটি ডটের পরিবর্তে দাঁড়ি দিয়ে হবে। অর্থাৎ ।ff =